পার্ট–১: আরবি অক্ষর
পার্ট–২: যবর, যের, পেশ
১. যবর ( َ )
যবর থাকলে অক্ষরের পরে "আ" ধ্বনি হয়।
২. যের ( ِ )
যের থাকলে অক্ষরের পরে "ই" ধ্বনি হয়।
৩. পেশ ( ُ )
পেশ থাকলে অক্ষরের পরে "উ" ধ্বনি হয়।
অনুশীলন
নিচেরগুলো পড়ার চেষ্টা করুন:
পার্ট–৩: দুই যবর (ً), দুই যের (ٍ), দুই পেশ (ٌ) — তানওয়ীন
তানওয়ীন হলো কোনো অক্ষরের শেষে "ন" (ন্) ধ্বনি যোগ হওয়া। এটি তিন প্রকার:
- দুই যবর (ً) = আন
- দুই যের (ٍ) = ইন
- দুই পেশ (ٌ) = উন
১. দুই যবর (ً) — "আন"
২. দুই যের (ٍ) — "ইন"
৩. দুই পেশ (ٌ) — "উন"
অনুশীলন
নিচের শব্দগুলো পড়ার চেষ্টা করুন:
দ্রষ্টব্য: বাংলা উচ্চারণ শুধু শেখার সুবিধার জন্য। কুরআন তিলাওয়াতের সঠিক উচ্চারণ (মাখরাজ ও তাজবীদ) একজন যোগ্য শিক্ষকের কাছ থেকে শিখতে হবে।
পার্ট–৪: জযম (ْ / সুকূন)
জযম (ْ) বা সুকূন এমন একটা চিহ্ন, যার অর্থ হলো অক্ষরের পরে কোনো স্বর (আ, ই, উ) থাকবে না। অর্থাৎ অক্ষরটা থেমে বা স্থিরভাবে পড়তে হয়।
১. জযমের পরিচয়
চিহ্ন: ْ
২. যবর + জযম
৩. যের + জযম
৪. পেশ + জযম
৫. অনুশীলন
নিচেরগুলো ধীরে ধীরে পড়ুন:
ছোট অনুশীলন
পড়ুন:
পার্ট–৫: তাশদীদ (ّ)
তাশদীদ (ّ) হলো এমন একটা চিহ্ন, যা বোঝায় একই অক্ষর দুইবার পড়তে হবে। প্রথমবার অক্ষরটা সুকূন (থেমে) থাকবে, তারপর দ্বিতীয়বার হরকতসহ পড়তে হবে।
উদাহরণ:
১. যবরসহ তাশদীদ
২. যেরসহ তাশদীদ
৩. পেশসহ তাশদীদ
অনুশীলন
নিচেরগুলো ধীরে ধীরে পড়ুন:
আরও অনুশীলন
তাশদীদযুক্ত অক্ষর পড়ার সময় অক্ষরটিকে সামান্য জোর দিয়ে উচ্চারণ করতে হয়।
বাড়ির কাজ
নিচেরগুলো ১০ বার করে পড়ুন:
পার্ট–৬: মাদ্দ (টেনে পড়া)
মাদ্দ (مد) অর্থ হলো টেনে পড়া। যখন কোনো হরফের পরে ا (আলিফ), و (ওয়াও), ي (ইয়া) নির্দিষ্ট নিয়মে আসে, তখন সেই ধ্বনিকে দীর্ঘ করে পড়তে হয়।
১. আলিফ (ا) দ্বারা মাদ্দ
যবর (َ) এর পরে ا এলে ২ হারাকাত (এক আলিফ) টেনে পড়তে হয়।
২. ইয়া (ي) দ্বারা মাদ্দ
যের (ِ) এর পরে ي এলে ২ হারাকাত টেনে পড়তে হয়।
৩. ওয়াও (و) দ্বারা মাদ্দ
পেশ (ُ) এর পরে و এলে ২ হারাকাত টেনে পড়তে হয়।
অনুশীলন
নিচেরগুলো ধীরে ধীরে পড়ুন:
কুরআনের সহজ উদাহরণ
বাড়ির কাজ
১০ বার করে পড়ুন:
পার্ট–৭: ছোট ছোট আরবি শব্দ
এখন এগুলো মিলিয়ে ছোট ছোট আরবি শব্দ পড়ার অনুশীলন করব।
১. দুই অক্ষরের শব্দ
২. তিন অক্ষরের শব্দ
৩. সুকূনসহ শব্দ
৪. তাশদীদসহ শব্দ
৫. মাদ্দসহ শব্দ
অনুশীলন
ধীরে ধীরে পড়ুন:
পার্ট–৮: আলিফ-লাম (ال), চার ও পাঁচ অক্ষরের শব্দ এবং সহজ কুরআনের শব্দ
এখন আমরা আলিফ-লাম (ال) চিনব এবং ছোট ছোট কুরআনের শব্দ পড়ার অনুশীলন করব।
১. আলিফ-লাম (ال)
ال অনেক আরবি শব্দের শুরুতে থাকে। এটিকে সাধারণভাবে "আল" পড়া হয় (কিছু ক্ষেত্রে উচ্চারণের নিয়ম ভিন্ন হতে পারে)।
২. চার অক্ষরের সহজ শব্দ
৩. পাঁচ অক্ষরের সহজ শব্দ
৪. সূরা আল-ফাতিহা থেকে সহজ শব্দ
অনুশীলন
নিচের শব্দগুলো ধীরে ধীরে পড়ুন:
اللّٰه (আল্লাহ) শব্দের উচ্চারণ বিশেষ নিয়মে হয়।
বাড়ির কাজ
১০ বার করে পড়ুন:
পার্ট–৯: সূর্যবর্ণ (حروف شمسية) ও চন্দ্রবর্ণ (حروف قمرية)
আরবি শব্দের শুরুতে ال (আলিফ-লাম) থাকলে দুইভাবে পড়তে হয়।
- 🌙 চন্দ্রবর্ণ (قمرية) → লাম (ل) স্পষ্টভাবে পড়তে হয়।
- ☀️ সূর্যবর্ণ (شمسية) → লাম (ل) পড়া হয় না; পরের অক্ষরটা তাশদীদসহ জোর দিয়ে পড়তে হয়।
১. চন্দ্রবর্ণ (حروف قمرية)
চন্দ্রবর্ণ মোট ১৪টি: ا، ب، ج، ح، خ، ع، غ، ف، ق، ك، م، و، هـ، ي
এগুলোর আগে ال এলে লাম স্পষ্টভাবে পড়তে হবে।
২. সূর্যবর্ণ (حروف شمسية)
সূর্যবর্ণ মোট ১৪টি: ت، ث، د، ذ، ر، ز، س، ش، ص، ض، ط، ظ، ل، ن
এগুলোর আগে ال এলে লাম পড়া হয় না, বরং পরের অক্ষরটা জোর দিয়ে (তাশদীদসহ) পড়তে হয়।
সহজে মনে রাখার নিয়ম
সূর্যবর্ণ = "লাম" পড়া হবে না: الشَّمْسُ → আশ-শামসু, الرَّحْمٰنُ → আর-রাহমানু
অনুশীলন
নিচের শব্দগুলো পড়ুন:
চন্দ্রবর্ণ
সূর্যবর্ণ
বাড়ির কাজ
১০ বার করে পড়ুন:
পার্ট–১০: মাখরাজ (مخارج الحروف)
আরবি হরফের সঠিক উচ্চারণের জন্য মাখরাজ জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
১. গলা (الحلق)
গলার নিচের অংশ
উদাহরণ:
গলার মাঝের অংশ
উদাহরণ:
গলার উপরের অংশ
উদাহরণ:
২. জিহ্বা (اللسان)
বেশিরভাগ আরবি অক্ষর জিহ্বা থেকে উচ্চারিত হয়।
৩. ঠোঁট (الشفتان)
৪. নাক (الخيشوم)
গুন্নাহ সাধারণত দুই হারাকাত (প্রায় দুই মাত্রা) ধরে পড়া হয়।
অনুশীলন
গলার হরফ:
জিহ্বার হরফ:
ঠোঁটের হরফ:
বিশেষভাবে খেয়াল রাখুন
এই অক্ষরগুলো অনেকেই ভুল উচ্চারণ করেন:
| আরবি | সঠিক নির্দেশনা |
|---|---|
| ح | গলার ভেতর থেকে, সাধারণ "হ" নয় |
| خ | গলার ভেতর থেকে "খ" |
| ع | গলার মাঝখান থেকে, বাংলায় এর সঠিক সমতুল্য নেই |
| غ | গলার ওপরের অংশ থেকে |
| ق | জিহ্বার পেছন অংশ থেকে, সাধারণ "ক" নয় |
| ص | মোটা "স" |
| ض | মোটা "দ/য"-ধ্বনি, বিশেষ উচ্চারণ |
| ط | মোটা "ত" |
| ظ | মোটা "য/জ়"-ধ্বনি |
পার্ট–১১: গুন্নাহ (غُنَّة)
গুন্নাহ (غُنَّة) হলো নাক দিয়ে বের হওয়া একটা মধুর ধ্বনি। এটা প্রধানত নূন (ن) ও মীম (م)-এর কিছু অবসথায় পড়া হয়।
১. গুন্নাহ কী?
গুন্নাহ অর্থ হলো নাক দিয়ে টেনে উচ্চারণ করা। এটা সাধারণত ২ হারাকাত (প্রায় দুই মাত্রা) ধরে পড়তে হয়।
২. কোথায় গুন্নাহ হবে?
(ক) নূন মুশাদ্দাদ (نّ)
যখন ن-এর উপর তাশদীদ (ّ) থাকে।
এখানে نّ দুই হারাকাত গুন্নাহসহ পড়তে হবে।
(খ) মীম মুশাদ্দাদ (مّ)
যখন م-এর উপর তাশদীদ (ّ) থাকে।
এখানে مّ দুই হারাকাত গুন্নাহসহ পড়তে হবে।
৩. অনুশীলন
নিচেরগুলো ধীরে ধীরে পড়ুন:
৪. কুরআন থেকে উদাহরণ
বাড়ির কাজ
১০ বার করে পড়ুন:
পার্ট–১২: নূন সাকিন (نْ) ও তানওয়ীন (ً ٍ ٌ)-এর ৪টি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম
যখন নূন সাকিন (نْ) বা তানওয়ীন (ً ٍ ٌ)-এর পরে অন্য কোনো অক্ষর আসে, তখন চারটা নিয়মের একটা প্রযোজ্য হয়।
১. ইযহার (إظهار)
অর্থ: স্পষ্টভাব পড়া। ইযহারের অক্ষর ৬টি: ء هـ ع ح غ خ
নূন সাকিন বা তানওয়ীনের পরে এই ৬টা অক্ষরের যেকোনো একটা এলে নূনের ধ্বনি স্পষ্টভাব পড়তে হবে।
২. ইদগাম (إدغام)
অর্থ: মিলিয়ে পড়া। ইদগামের অক্ষর ৬টি: ي ر م ل و ن (সহজে মনে রাখুন: يرملون)
নূন সাকিন বা তানওয়ীনের পরে এই অক্ষরগুলোর একটা এলে দুই অক্ষর মিলিয়ে পড়তে হয়।
৩. ইকলাব (إقلاب)
অর্থ: রূপান্তর করা। ইকলাবের অক্ষর: ب
নূন সাকিন বা তানওয়ীনের পরে ب এলে নূনের ধ্বনি মীমের মতো (ম্) হয়ে যায় এবং গুন্নাহসহ পড়তে হয়।
৪. ইখফা (إخفاء)
অর্থ: আংশিক গোপন করে পড়া। ইখফার অক্ষর ১৫টি: ت ث ج د ذ ز س ش ص ض ط ظ ف ق ك
নূন সাকিন বা তানওয়ীনের পরে এই অক্ষরগুলোর একটা এলে নূনের ধ্বনি পুরোপুরি স্পষ্টও হবে না, পুরোপুরি মিলিয়েও যাবে না; গুন্নাহসহ আংশিক গোপন করে পড়তে হবে।
সহজে মনে রাখার সূত্র
ইদগাম — ৬ অক্ষর: يرملون
ইকলাব — ১ অক্ষর: ب
ইখফা — বাকি ১৫টা অক্ষর
অনুশীলন
পড়ুন:
বাড়ির কাজ
প্রতিটা উদাহরণ ১০ বার করে পড়ুন এবং চেষ্টা করুন কোনটা ইযহার, কোনটা ইদগাম, কোনটা ইকলাব এবং কোনটা ইখফা তা নিজে চিনতে।
পার্ট–১৩: মীম সাকিন (مْ)-এর ৩টা নিয়ম
আজ আমরা মীম সাকিন (مْ)-এর তিনটা গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম শিখব। কুরআন তিলাওয়াত এগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
১. ইখফা শাফাওয়ী (إخفاء شفوي)
অক্ষর: ب (বা)
যদি মীম সাকিন (مْ)-এর পরে বা আসে, তাহলে গুন্নাহসহ (২ হারাকাত) আংশিক গোপন করে পড়তে হবে।
২. ইদগাম শাফাওয়ী (إدغام شفوي)
অক্ষর: م (মীম)
যদি মীম সাকিন (مْ)-এর পরে আরেকটা মীম (م) আসে, তাহলে দুইটা মীম একসাথে মিলিয়ে গুন্নাহসহ (২ হারাকাত) পড়তে হবে।
৩. ইযহার শাফাওয়ী (إظهار شفوي)
অক্ষর: ب এবং م ছাড়া বাকি ২৬টা অক্ষর।
মীম সাকিনের পরে যদি ব বা মীম ছাড়া অন্য যেকোনো অক্ষর আসে, তাহলে মীম স্পষ্টভাবে পড়তে হবে।
সহজে মনে রাখার নিয়ম
م → ইদগাম শাফাওয়ী
অন্য ২৬টা → ইযহার শাফাওয়ী
অনুশীলন
নিচের শব্দগুলো ধীরে ধীরে পড়ুন:
বাড়ির কাজ
প্রতিটা উদাহরণ ১০ বার করে পড়ুন এবং নিজে চিনতে চেষ্টা করুন কোনটা ইখফা, কোনটা ইদগাম এবং কোনটা ইযহার।
পার্ট–১৪: মাদ্দ (مد)-এর প্রকারভেদ
আজ আমরা মাদ্দ (টেনে পড়া) সম্পর্কে বিস্তারিত জানব। তাজবীদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এটি।
মাদ্দ কী?
মাদ্দ অর্থ হলো টেনে পড়া। মাদ্দের অক্ষর ৩টা: ا (আলিফ), و (ওয়াও), ي (ইয়া)
১. মাদ্দে আসলী (المد الأصلي)
একে মাদ্দে তাবীঈও বলা হয়। সাধারণভাবে ২ হারাকাত টেনে পড়তে হয়।
২. মাদ্দে মুত্তাসিল (المد المتصل)
একই শব্দে মাদ্দের অক্ষরের পরে হামযা (ء) এলে। টান: ৪–৫ হারাকাত।
৩. মাদ্দে মুনফাসিল (المد المنفصل)
এক শব্দে মাদ্দের অক্ষর এবং পরের শব্দে হামযা এলে। টান: ৪–৫ হারাকাত।
৪. মাদ্দে লাযিম (المد اللازم)
মাদ্দের পরে সুকূন লাযিম এলে। টান: ৬ হারাকাত।
৫. মাদ্দে আরিয লিস্সুকূন (المد العارض للسكون)
ওয়াকফ (থামার) কারণে শেষে সুকূন সৃষ্টি হলে। টান: ২ / ৪ / ৬ হারাকাত।
৬. মাদ্দে লীন (مد اللين)
যবরের পরে وْ অথবা يْ থাকলে এবং শেষে থামলে। টান: ২ / ৪ / ৬ হারাকাত।
সহজে মনে রাখুন
মাদ্দে আসলী — ২ হারাকাত
মাদ্দে মুত্তাসিল — ৪–৫ হারাকাত
মাদ্দে মুনফাসিল — ৪–৫ হারাকাত
মাদ্দে লাযিম — ৬ হারাকাত
মাদ্দে আরিয — ২ / ৪ / ৬ হারাকাত
মাদ্দে লীন — ২ / ৪ / ৬ হারাকাত
অনুশীলন
ধীরে ধীরে পড়ুন:
বাড়ির কাজ
১০ বার করে পড়ুন:
পার্ট–১৫: ওয়াকফ (وقف) ও ইবতিদা (ابتداء)
আজ আমরা শিখব কোথায় থামতে হবে (ওয়াকফ) এবং কোথা থেকে আবার শুরু করতে হবে (ইবতিদা)। শুদ্ধ কুরআন তিলাওয়াতের জন্য এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
১. ওয়াকফ (وقف) কী?
ওয়াকফ অর্থ হলো তিলাওয়াতের সময় নির্দিষ্ট স্থানে থামা। থামার সময় শেষ অক্ষরটা সাধারণত সুকূন (জযম) করে পড়া হয়।
২. ইবতিদা (ابتداء) কী?
ইবতিদা অর্থ হলো থামার পরে আবার সঠিক স্থান থেক পড়া শুরু করা। চেষ্টা করবেন এমন জায়গা থেক শুরু করতে, যাতে অর্থ ঠিক থাকে।
৩. কুরআনের গুরুত্বপূর্ণ ওয়াকফ চিহ্ন
- (م) — ওয়াকফে লাযিম (অবশ্যই থামা উত্তম): এখানে থামা ভালো এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে উচিত।
- (لا) — এখানে থামবেন না: থামলে অর্থ নষ্ট হতে পারে। উদাহরণ: لا ريب فيه — এখানে "لا" চিহ্ন থাকলে মাঝখানে থামা ঠিক নয়।
- (ج) — থামা বা না থামা উভয়ই বৈধ।
- (قلى) — থামা উত্তম।
- (صلى) — না থামা উত্তম।
- () — আয়াত শেষ হওয়ার চিহ্ন। এখানে থামা সুন্নত।
৪. ওয়াকফ করলে কী পরিবর্তন হয়?
উদাহরণ:
৫. সূরা আল-ফাতিহা দিয়ে অনুশীলন
সহজে মনে রাখুন
لا — থামবেন না
ج — থামা বা না থামা—দুটিই বৈধ
قلى — থামা উত্তম
صلى — না থামা উত্তম
— আয়াত শেষ
অনুশীলন
নিচের চিহ্নগুলো মুখস্থ করুন:
বাড়ির কাজ
১. সূরা আল-ফাতিহা দেখে সব চিহ্নে থামুন।
২. ওয়াকফ করলে শেষ অক্ষর কীভাবে পরিবর্তিত হয় তা ১০ বার অনুশীলন করুন।
৩. م, لا, ج, قلى, صلى—এই পাঁচটা চিহ্নের অর্থ মুখস্থ করুন।