← হোম

নূরানী কায়দা

পার্ট–১: আরবি অক্ষর

ا
আলিফ
ب
বা
ت
তা
ث
ছা
ج
জীম
ح
হা (গলা থেকে)
خ
খা (গলা থেকে)
د
দাল
ذ
যাল
ر
রা
ز
যায়
س
সীন
ش
শীন
ص
সোয়াদ
ض
যোয়াদ
ط
তোয়া
ظ
যোয়া
ع
আইন
غ
গইন
ف
ফা
ق
ক্বাফ
ك
কাফ
ل
লাম
م
মীম
ن
নূন
و
ওয়াও
ه
হা
ء
হামযাহ
ي
ইয়া

পার্ট–২: যবর, যের, পেশ

১. যবর ( َ )

যবর থাকলে অক্ষরের পরে "আ" ধ্বনি হয়।

بَ
বা
تَ
তা
ثَ
ছা
جَ
যা
حَ
হা
خَ
খা
دَ
দা
رَ
রা
سَ
সা
شَ
শা
فَ
ফা
قَ
ক্বা
كَ
কা
لَ
লা
مَ
মা
نَ
না
وَ
ওয়া
هَ
হা
يَ
ইয়া

২. যের ( ِ )

যের থাকলে অক্ষরের পরে "ই" ধ্বনি হয়।

بِ
বি
تِ
তি
ثِ
ছি
جِ
জি
حِ
হি
خِ
খি
دِ
দি
رِ
রি
سِ
সি
شِ
শি
فِ
ফি
قِ
ক্বি
كِ
কি
لِ
লি
مِ
মি
نِ
নি
وِ
উই
هِ
হি
يِ

৩. পেশ ( ُ )

পেশ থাকলে অক্ষরের পরে "উ" ধ্বনি হয়।

بُ
বু
تُ
তু
ثُ
ছু
جُ
জু
حُ
হু
خُ
খু
دُ
দু
رُ
রু
سُ
সু
شُ
শু
فُ
ফু
قُ
ক্বু
كُ
কু
لُ
লু
مُ
মু
نُ
নু
وُ
هُ
হু
يُ
ইউ

অনুশীলন

নিচেরগুলো পড়ার চেষ্টা করুন:

بَ تَ ثَ جَ
বা তা ছা যা
بِ تِ ثِ جِ
বি তি ছি জি
بُ تُ ثُ جُ
বু তু ছু জু
مَ نَ لَ كَ
মা না লা কা
مِ نِ لِ كِ
মি নি লি কি
مُ نُ لُ كُ
মু নু লু কু
মনে রাখবেন: বাংলা উচ্চারণ শুধু শেখার সুবিধার জন্য। আরবি অক্ষরের সঠিক মাখরাজ (উচ্চারণের স্থান) একজন অভিজ্ঞ ক্বারী বা শিক্ষকের কাছ থেকে শিখলে তিলাওয়াত আরও শুদ্ধ হবে।

পার্ট–৩: দুই যবর (ً), দুই যের (ٍ), দুই পেশ (ٌ) — তানওয়ীন

তানওয়ীন হলো কোনো অক্ষরের শেষে "ন" (ন্) ধ্বনি যোগ হওয়া। এটি তিন প্রকার:

১. দুই যবর (ً) — "আন"

بً
বান
تً
তান
ثً
ছান
جً
জান
حً
হান
خً
খান
مً
মান
نً
নান

২. দুই যের (ٍ) — "ইন"

بٍ
বিন
تٍ
তিন
ثٍ
ছিন
جٍ
জিন
حٍ
হিন
خٍ
খিন
مٍ
মিন
نٍ
নিন

৩. দুই পেশ (ٌ) — "উন"

بٌ
বুন
تٌُ
তুন
ثٌ
ছুন
جٌ
জুন
حٌ
হুন
خٌ
খুন
مٌ
মুন
نٌ
নুন

অনুশীলন

নিচের শব্দগুলো পড়ার চেষ্টা করুন:

بً تً ثً جً
বান তান ছান জান
بٍ تٍ ثٍ جٍ
বিন তিন ছিন জিন
بٌ تٌُ ثٌ جٌ
বুন তুন ছুন জুন
مً مٍ مٌ
মান মিন মুন
نً نٍ نٌ
নান নিন নুন
মনে রাখুন: ً = আন, ٍ = ইন, ٌ = উন
عَلِيمٌ
আলীমুন
غَفُورٌ
গাফূরুন
كِتَابٍ
কিতাবিন
رَحْمَةً
রাহমাতান

দ্রষ্টব্য: বাংলা উচ্চারণ শুধু শেখার সুবিধার জন্য। কুরআন তিলাওয়াতের সঠিক উচ্চারণ (মাখরাজ ও তাজবীদ) একজন যোগ্য শিক্ষকের কাছ থেকে শিখতে হবে।

পার্ট–৪: জযম (ْ / সুকূন)

জযম (ْ) বা সুকূন এমন একটা চিহ্ন, যার অর্থ হলো অক্ষরের পরে কোনো স্বর (আ, ই, উ) থাকবে না। অর্থাৎ অক্ষরটা থেমে বা স্থিরভাবে পড়তে হয়।

১. জযমের পরিচয়

চিহ্ন: ْ

بْ
ব্
تْ
ত্
جْ
জ্
مْ
ম্
نْ
ন্

২. যবর + জযম

أَبْ
আব্
أَتْ
আত্
أَجْ
আজ্
أَمْ
আম্
أَنْ
আন্

৩. যের + জযম

إِبْ
ইব্
إِتْ
ইত্
إِجْ
ইজ্
إِمْ
ইম্
إِنْ
ইন্

৪. পেশ + জযম

أُبْ
উব্
أُتْ
উত্
أُجْ
উজ্
أُمْ
উম্
أُنْ
উন্

৫. অনুশীলন

নিচেরগুলো ধীরে ধীরে পড়ুন:

أَبْ
আব্
أَتْ
আত্
أَجْ
আজ্
أَمْ
আম্
أَنْ
আন্
إِبْ
ইব্
إِتْ
ইত্
إِجْ
ইজ্
إِمْ
ইম্
إِنْ
ইন্
أُبْ
উব্
أُتْ
উত্
أُجْ
উজ্
أُمْ
উম্
أُنْ
উন্
মনে রাখুন: بَ = বা, بِ = বি, بُ = বু, بْ = ব্ (এখানে কোনো স্বর নেই)

ছোট অনুশীলন

পড়ুন:

بَتْ
বাত্
كَتْ
কাত্
نَبْ
নাব্
سَمْ
সাম্
قُلْ
কুল্

পার্ট–৫: তাশদীদ (ّ)

তাশদীদ (ّ) হলো এমন একটা চিহ্ন, যা বোঝায় একই অক্ষর দুইবার পড়তে হবে। প্রথমবার অক্ষরটা সুকূন (থেমে) থাকবে, তারপর দ্বিতীয়বার হরকতসহ পড়তে হবে।

উদাহরণ:

بّ
ব্ + ব
مّ
ম্ + ম
نّ
ন্ + ন

১. যবরসহ তাশদীদ

بَّ
ব্বা
تَّ
ত্তা
جَّ
জ্জা
مَّ
ম্মা
نَّ
ন্না
لَّ
ল্লা

২. যেরসহ তাশদীদ

بِّ
ব্বি
تِّ
ত্তি
جِّ
জ্জি
مِّ
ম্মি
نِّ
ন্নি
لِّ
ল্লি

৩. পেশসহ তাশদীদ

بُّ
ব্বু
تُّ
ত্তু
جُّ
জ্জু
مُّ
ম্মু
نُّ
ন্নু
لُّ
ল্লু

অনুশীলন

নিচেরগুলো ধীরে ধীরে পড়ুন:

بَّ تَّ ثَّ جَّ
ব্বা ত্তা ছা জ্জা
بِّ تِّ ثِّ جِّ
ব্বি ত্তি ছি জ্জি
بُّ تُّ ثُّ جُّ
ব্বু ত্তু ছু জ্জু

আরও অনুশীলন

رَبَّ
রব্বা
حَقٌّ
হাক্কুন
إِنَّ
ইন্না
ثُمَّ
ছুম্মা
أُمٌّ
উম্মুন
মনে রাখবেন: بَ = বা, بْ = ব্, بَّ = ব্বা (একই অক্ষর দুইবার পড়া)
তাশদীদযুক্ত অক্ষর পড়ার সময় অক্ষরটিকে সামান্য জোর দিয়ে উচ্চারণ করতে হয়।

বাড়ির কাজ

নিচেরগুলো ১০ বার করে পড়ুন:

رَبَّ
রব্বা
إِنَّ
ইন্না
ثُمَّ
ছুম্মা
حَقٌّ
হাক্কুন
أُمٌّ
উম্মুন

পার্ট–৬: মাদ্দ (টেনে পড়া)

মাদ্দ (مد) অর্থ হলো টেনে পড়া। যখন কোনো হরফের পরে ا (আলিফ), و (ওয়াও), ي (ইয়া) নির্দিষ্ট নিয়মে আসে, তখন সেই ধ্বনিকে দীর্ঘ করে পড়তে হয়।

১. আলিফ (ا) দ্বারা মাদ্দ

যবর (َ) এর পরে ا এলে ২ হারাকাত (এক আলিফ) টেনে পড়তে হয়।

بَا
বা-আ
تَا
তা-আ
جَا
যা-আ
مَا
মা-আ
نَا
না-আ

২. ইয়া (ي) দ্বারা মাদ্দ

যের (ِ) এর পরে ي এলে ২ হারাকাত টেনে পড়তে হয়।

بِي
বি-ই
تِي
তি-ই
جِي
জি-ই
مِي
মি-ই
نِي
নি-ই

৩. ওয়াও (و) দ্বারা মাদ্দ

পেশ (ُ) এর পরে و এলে ২ হারাকাত টেনে পড়তে হয়।

بُو
বুউ
تُو
তুউ
جُو
জুউ
مُو
মুউ
نُو
নুউ

অনুশীলন

নিচেরগুলো ধীরে ধীরে পড়ুন:

بَا تَا ثَا جَا
বা-আ তা-আ ছা-আ যা-আ
بِي تِي ثِي جِي
বি-ই তি-ই ছি-ই জি-ই
بُو تُو ثُو جُو
বুউ তুউ ছুউ জুউ

কুরআনের সহজ উদাহরণ

قَالَ
ক্বা-লা
كَانَ
কা-না
نُورٌ
নূ-রুন
فِي
ফী
يَقُولُ
ইয়া-কূ-লু
মনে রাখবেন: ا = যবরের পরে এলে টান, ي = যেরের পরে এলে টান, و = পেশের পরে এলে টান। সাধারণ মাদ্দ ২ হারাকাত (এক আলিফ পরিমাণ) টেনে পড়তে হয়।

বাড়ির কাজ

১০ বার করে পড়ুন:

بَا بِي بُو
বা-আ বি-ই বুউ
مَا مِي مُو
মা-আ মি-ই মুউ
نَا نِي نُو
না-আ নি-ই নুউ
قَالَ
ক্বা-লা
نُورٌ
নূ-রুন
فِي
ফী

পার্ট–৭: ছোট ছোট আরবি শব্দ

এখন এগুলো মিলিয়ে ছোট ছোট আরবি শব্দ পড়ার অনুশীলন করব।

১. দুই অক্ষরের শব্দ

بَتَ
বাতা
كَتَ
কাতা
ذَهَبَ
যাহাবা
خَرَجَ
খারাজা
جَلَسَ
জালাসা

২. তিন অক্ষরের শব্দ

كَتَبَ
কাতাবা
دَخَلَ
দাখালা
خَلَقَ
খালাকা
رَجَعَ
রাজাআ
سَمِعَ
সামিআ

৩. সুকূনসহ শব্দ

يَكْتُبُ
ইয়া-কতুবু
يَفْتَحُ
ইয়া-ফতাহু
يَخْرُجُ
ইয়া-খরুজু
يَذْهَبُ
ইয়া-যহাবু
يَقْرَأُ
ইয়া-করাউ

৪. তাশদীদসহ শব্দ

رَبَّنَا
রব্বানা
إِنَّ
ইন্না
ثُمَّ
ছুম্মা
أُمِّي
উম্মী
حَقٌّ
হাক্কুন

৫. মাদ্দসহ শব্দ

قَالَ
ক্বালা
نُورٌ
নূরুন
فِي
ফী
كَانَ
কানা
يَقُولُ
ইয়া-কূলু

অনুশীলন

ধীরে ধীরে পড়ুন:

كَتَبَ
কাতাবা
دَخَلَ
দাখালা
خَلَقَ
খালাকা
رَبَّنَا
রব্বানা
إِنَّ
ইন্না
قَالَ
ক্বালা
نُورٌ
নূরুন
فِي
ফী
يَقْرَأُ
ইয়া-করাউ
يَكْتُبُ
ইয়া-কতুবু
মনে রাখবেন: প্রতিটি অক্ষরের মাখরাজ (উচ্চারণের স্থান) ঠিক রাখতে হবে। অযথা টান দেবেন না। যেখানে মাদ্দ আছে, সেখানে ২ হারাকাত টানবেন। যেখানে তাশদীদ আছে, সেখানে অক্ষরটা জোর দিয়ে পড়বেন।

পার্ট–৮: আলিফ-লাম (ال), চার ও পাঁচ অক্ষরের শব্দ এবং সহজ কুরআনের শব্দ

এখন আমরা আলিফ-লাম (ال) চিনব এবং ছোট ছোট কুরআনের শব্দ পড়ার অনুশীলন করব।

১. আলিফ-লাম (ال)

ال অনেক আরবি শব্দের শুরুতে থাকে। এটিকে সাধারণভাবে "আল" পড়া হয় (কিছু ক্ষেত্রে উচ্চারণের নিয়ম ভিন্ন হতে পারে)।

الْبَيْتُ
আল-বাইতু
الْقَمَرُ
আল-কামারু
الْكِتَابُ
আল-কিতাবু
الْمَسْجِدُ
আল-মাসজিদু
الْحَمْدُ
আল-হামদু

২. চার অক্ষরের সহজ শব্দ

كِتَابٌ
কিতাবুন
رَسُولٌ
রাসূলুন
مُسْلِمٌ
মুসলিমুন
مَسْجِدٌ
মাসজিদুন
قَلْبٌ
কালবুন

৩. পাঁচ অক্ষরের সহজ শব্দ

الْحَمْدُ
আল-হামদু
الرَّحْمٰنُ
আর-রাহমানু
الرَّحِيمُ
আর-রাহীমু
مُحَمَّدٌ
মুহাম্মাদুন
إِبْرَاهِيمُ
ইবরাহীমু

৪. সূরা আল-ফাতিহা থেকে সহজ শব্দ

بِسْمِ
বিসমি
اللّٰهِ
আল্লাহি
الرَّحْمٰنِ
আর-রাহমানি
الرَّحِيمِ
আর-রাহীমি
الْحَمْدُ
আল-হামদু
رَبِّ
রব্বি
الْعَالَمِينَ
আল-আলামীন

অনুশীলন

নিচের শব্দগুলো ধীরে ধীরে পড়ুন:

بِسْمِ
বিসমি
اللّٰهِ
আল্লাহি
الرَّحْمٰنِ
আর-রাহমানি
الرَّحِيمِ
আর-রাহীমি
الْحَمْدُ
আল-হামদু
رَبِّ
রব্বি
كِتَابٌ
কিতাবুন
مَسْجِدٌ
মাসজিদুন
رَسُولٌ
রাসূলুন
مُسْلِمٌ
মুসলিমুন
মনে রাখবেন: ال-এর উচ্চারণ সব সময় এক রকম নয়। পরবর্তী পাঠে সূর্যবর্ণ (حروف شمسية) ও চন্দ্রবর্ণ (حروف قمرية) অনুযায়ী এর নিয়ম শিখবেন।
اللّٰه (আল্লাহ) শব্দের উচ্চারণ বিশেষ নিয়মে হয়।

বাড়ির কাজ

১০ বার করে পড়ুন:

بِسْمِ اللّٰهِ
বিসমিল্লাহি
الْحَمْدُ لِلّٰهِ
আল-হামদু লিল্লাহি
رَبِّ الْعَالَمِينَ
রব্বিল আলামীন
كِتَابٌ
কিতাবুন
مَسْجِدٌ
মাসজিদুন

পার্ট–৯: সূর্যবর্ণ (حروف شمسية) ও চন্দ্রবর্ণ (حروف قمرية)

আরবি শব্দের শুরুতে ال (আলিফ-লাম) থাকলে দুইভাবে পড়তে হয়।

১. চন্দ্রবর্ণ (حروف قمرية)

চন্দ্রবর্ণ মোট ১৪টি: ا، ب، ج، ح، خ، ع، غ، ف، ق، ك، م، و، هـ، ي

এগুলোর আগে ال এলে লাম স্পষ্টভাবে পড়তে হবে।

الْقَمَرُ
আল-কামারু
الْكِتَابُ
আল-কিতাবু
الْبَيْتُ
আল-বাইতু
الْمَسْجِدُ
আল-মাসজিদু
الْهُدَى
আল-হুদা

২. সূর্যবর্ণ (حروف شمسية)

সূর্যবর্ণ মোট ১৪টি: ت، ث، د، ذ، ر، ز، س، ش، ص، ض، ط، ظ، ل، ن

এগুলোর আগে ال এলে লাম পড়া হয় না, বরং পরের অক্ষরটা জোর দিয়ে (তাশদীদসহ) পড়তে হয়।

الشَّمْسُ
আশ-শামসু
الرَّحْمٰنُ
আর-রাহমানু
النَّاسُ
আন-নাসু
السَّمَاءُ
আস-সামাউ
الدِّينُ
আদ-দীনু

সহজে মনে রাখার নিয়ম

চন্দ্রবর্ণ = "লাম" পড়তে হবে: الْقَمَرُ → আল-কামারু, الْكِتَابُ → আল-কিতাবু
সূর্যবর্ণ = "লাম" পড়া হবে না: الشَّمْسُ → আশ-শামসু, الرَّحْمٰنُ → আর-রাহমানু

অনুশীলন

নিচের শব্দগুলো পড়ুন:

চন্দ্রবর্ণ

الْقُرْآنُ
আল-কুরআনু
الْكِتَابُ
আল-কিতাবু
الْبَيْتُ
আল-বাইতু
الْمَلِكُ
আল-মালিকু
الْهُدَى
আল-হুদা

সূর্যবর্ণ

الشَّمْسُ
আশ-শামসু
الرَّحْمٰنُ
আর-রাহমানু
الرَّحِيمُ
আর-রাহীমু
النَّاسُ
আন-নাসু
السَّمَاءُ
আস-সামাউ
মনে রাখবেন: চন্দ্রবর্ণ → লাম উচ্চারণ হবে। সূর্যবর্ণ → লাম উচ্চারণ হবে না, পরের অক্ষরটা তাশদীদসহ পড়তে হবে। কুরআন তিলাওয়াতের সময় এই নিয়ম খুব গুরুত্বপূর্ণ।

বাড়ির কাজ

১০ বার করে পড়ুন:

الْقُرْآنُ
আল-কুরআনু
الْكِتَابُ
আল-কিতাবু
الشَّمْسُ
আশ-শামসু
الرَّحْمٰنُ
আর-রাহমানু
النَّاسُ
আন-নাসু

পার্ট–১০: মাখরাজ (مخارج الحروف)

আরবি হরফের সঠিক উচ্চারণের জন্য মাখরাজ জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

১. গলা (الحلق)

গলার নিচের অংশ

ء
হামযাহ
ه
হা

উদাহরণ:

أَحَدٌ
আহাদুন
هُدًى
হুদান

গলার মাঝের অংশ

ع
আইন
ح
হা

উদাহরণ:

عَلِيمٌ
আলীমুন
حَكِيمٌ
হাকীমুন

গলার উপরের অংশ

غ
গইন
خ
খা

উদাহরণ:

غَفُورٌ
গাফূরুন
خَبِيرٌ
খাবীরুন

২. জিহ্বা (اللسان)

বেশিরভাগ আরবি অক্ষর জিহ্বা থেকে উচ্চারিত হয়।

ق
ক্বাফ
ك
কাফ
ج
জীম
ش
শীন
ي
ইয়া
ل
লাম
ن
নূন
ر
রা
ت
তা
د
দাল
ط
তোয়া
ص
সোয়াদ
س
সীন
ز
যায়

৩. ঠোঁট (الشفتان)

ف
ফা
ب
বা
م
মীম
و
ওয়াও

৪. নাক (الخيشوم)

গুন্নাহ সাধারণত দুই হারাকাত (প্রায় দুই মাত্রা) ধরে পড়া হয়।

نّ
নূনের গুন্নাহ
مّ
মীমের গুন্নাহ

অনুশীলন

গলার হরফ:

ء ه
হামযাহ, হা
ع ح
আইন, হা
غ خ
গইন, খা

জিহ্বার হরফ:

ق ك
ক্বাফ, কাফ
ج ش
জীম, শীন
ل ن ر
লাম, নূন, রা

ঠোঁটের হরফ:

ف ب م و
ফা, বা, মীম, ওয়াও

বিশেষভাবে খেয়াল রাখুন

এই অক্ষরগুলো অনেকেই ভুল উচ্চারণ করেন:

আরবিসঠিক নির্দেশনা
حগলার ভেতর থেকে, সাধারণ "হ" নয়
خগলার ভেতর থেকে "খ"
عগলার মাঝখান থেকে, বাংলায় এর সঠিক সমতুল্য নেই
غগলার ওপরের অংশ থেকে
قজিহ্বার পেছন অংশ থেকে, সাধারণ "ক" নয়
صমোটা "স"
ضমোটা "দ/য"-ধ্বনি, বিশেষ উচ্চারণ
طমোটা "ত"
ظমোটা "য/জ়"-ধ্বনি
মনে রাখবেন: বাংলা উচ্চারণ কেবল শেখার সুবিধার জন্য দেওয়া হয়েছে। শুদ্ধ কুরআন তিলাওয়াতের জন্য মাখরাজ একজন যোগ্য ক্বারী বা তাজবীদ শিক্ষকের কাছ থেকে শুনে অনুশীলন করা সবচেয়ে উত্তম।

পার্ট–১১: গুন্নাহ (غُنَّة)

গুন্নাহ (غُنَّة) হলো নাক দিয়ে বের হওয়া একটা মধুর ধ্বনি। এটা প্রধানত নূন (ن) ও মীম (م)-এর কিছু অবসথায় পড়া হয়।

১. গুন্নাহ কী?

গুন্নাহ অর্থ হলো নাক দিয়ে টেনে উচ্চারণ করা। এটা সাধারণত ২ হারাকাত (প্রায় দুই মাত্রা) ধরে পড়তে হয়।

২. কোথায় গুন্নাহ হবে?

(ক) নূন মুশাদ্দাদ (نّ)

যখন ن-এর উপর তাশদীদ (ّ) থাকে।

إِنَّ
ইন্না
ثُمَّ إِنَّ
ছুম্মা ইন্না
جَنَّةٌ
জান্নাতুন

এখানে نّ দুই হারাকাত গুন্নাহসহ পড়তে হবে।

(খ) মীম মুশাদ্দাদ (مّ)

যখন م-এর উপর তাশদীদ (ّ) থাকে।

ثُمَّ
ছুম্মা
أُمٌّ
উম্মুন
عَمَّ
আম্মা

এখানে مّ দুই হারাকাত গুন্নাহসহ পড়তে হবে।

৩. অনুশীলন

নিচেরগুলো ধীরে ধীরে পড়ুন:

إِنَّ
ইন্না
أَنَّ
আন্না
جَنَّةٌ
জান্নাতুন
ثُمَّ
ছুম্মা
أُمٌّ
উম্মুন
عَمَّ
আম্মা

৪. কুরআন থেকে উদাহরণ

إِنَّ اللَّهَ
ইন্নাল্লাহা
ثُمَّ
ছুম্মা
أَمَّا
আম্মা
جَنَّاتٍ
জান্নাতিন
মনে রাখবেন: نّ = দুই হারাকাত গুন্নাহ, مّ = দুই হারাকাত গুন্নাহ। শব্দে নাকের ধ্বনি স্পষ্ট শোনা যাবে, কিন্তু অতিরিক্ত টান দেওয়া যাবে না।

বাড়ির কাজ

১০ বার করে পড়ুন:

إِنَّ
ইন্না
أَنَّ
আন্না
ثُمَّ
ছুম্মা
أُمٌّ
উম্মুন
جَنَّةٌ
জান্নাতুন
عَمَّ
আম্মা
আজকের সারাংশ: গুন্নাহ = নাক দিয়ে মধুর ধ্বনি। নূন মুশাদ্দাদ (نّ) → ২ হারাকাত। মীম মুশাদ্দাদ (مّ) → ২ হারাকাত।

পার্ট–১২: নূন সাকিন (نْ) ও তানওয়ীন (ً ٍ ٌ)-এর ৪টি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম

যখন নূন সাকিন (نْ) বা তানওয়ীন (ً ٍ ٌ)-এর পরে অন্য কোনো অক্ষর আসে, তখন চারটা নিয়মের একটা প্রযোজ্য হয়।

১. ইযহার (إظهار)

অর্থ: স্পষ্টভাব পড়া। ইযহারের অক্ষর ৬টি: ء هـ ع ح غ خ

নূন সাকিন বা তানওয়ীনের পরে এই ৬টা অক্ষরের যেকোনো একটা এলে নূনের ধ্বনি স্পষ্টভাব পড়তে হবে।

مِنْهُ
মিনহু
أَنْعَمْتَ
আন'আমতা
عَلِيمٌ حَكِيمٌ
আলীমুন হাকীমুন

২. ইদগাম (إدغام)

অর্থ: মিলিয়ে পড়া। ইদগামের অক্ষর ৬টি: ي ر م ل و ن (সহজে মনে রাখুন: يرملون)

নূন সাকিন বা তানওয়ীনের পরে এই অক্ষরগুলোর একটা এলে দুই অক্ষর মিলিয়ে পড়তে হয়।

مِنْ رَبِّهِمْ
মির্ রাব্বিহিম
مِنْ وَالٍ
মিওয়াালিন
غَفُورٌ رَحِيمٌ
গাফূরুর রাহীম

৩. ইকলাব (إقلاب)

অর্থ: রূপান্তর করা। ইকলাবের অক্ষর: ب

নূন সাকিন বা তানওয়ীনের পরে ب এলে নূনের ধ্বনি মীমের মতো (ম্) হয়ে যায় এবং গুন্নাহসহ পড়তে হয়।

أَنْبِئْهُمْ
আম্বিঅহুম
سَمِيعٌ بَصِيرٌ
সামীউম বাসীর

৪. ইখফা (إخفاء)

অর্থ: আংশিক গোপন করে পড়া। ইখফার অক্ষর ১৫টি: ت ث ج د ذ ز س ش ص ض ط ظ ف ق ك

নূন সাকিন বা তানওয়ীনের পরে এই অক্ষরগুলোর একটা এলে নূনের ধ্বনি পুরোপুরি স্পষ্টও হবে না, পুরোপুরি মিলিয়েও যাবে না; গুন্নাহসহ আংশিক গোপন করে পড়তে হবে।

مِنْ قَبْلِ
মিন্ (গুন্নাহ) কাবলি
أَنْتَ
আন্ (গুন্নাহ) তা
عَلِيمٌ خَبِيرٌ
(এটা ইযহার, ইখফা নয় — কারণ خ ইযহারের অক্ষর)

সহজে মনে রাখার সূত্র

ইযহার — ৬ অক্ষর: ء هـ ع ح غ খ
ইদগাম — ৬ অক্ষর: يرملون
ইকলাব — ১ অক্ষর: ب
ইখফা — বাকি ১৫টা অক্ষর

অনুশীলন

পড়ুন:

مِنْهُ
মিনহু
أَنْعَمْتَ
আন'আমতা
مِنْ رَبِّهِمْ
মির্ রাব্বিহিম
مِنْ وَالٍ
মিওয়াালিন
أَنْبِئْهُمْ
আম্বিঅহুম
مِنْ قَبْلِ
মিন্ (গুন্নাহ) কাবলি
أَنْتَ
আন্ (গুন্নাহ) তা

বাড়ির কাজ

প্রতিটা উদাহরণ ১০ বার করে পড়ুন এবং চেষ্টা করুন কোনটা ইযহার, কোনটা ইদগাম, কোনটা ইকলাব এবং কোনটা ইখফা তা নিজে চিনতে।

পার্ট–১৩: মীম সাকিন (مْ)-এর ৩টা নিয়ম

আজ আমরা মীম সাকিন (مْ)-এর তিনটা গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম শিখব। কুরআন তিলাওয়াত এগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

১. ইখফা শাফাওয়ী (إخفاء شفوي)

অক্ষর: ب (বা)

যদি মীম সাকিন (مْ)-এর পরে বা আসে, তাহলে গুন্নাহসহ (২ হারাকাত) আংশিক গোপন করে পড়তে হবে।

تَرْمِيهِمْ بِحِجَارَةٍ
তারমীহিম (গুন্নাহ) বিহিজারাতিন
هُمْ بِهِ
হুম (গুন্নাহ) বিহি

২. ইদগাম শাফাওয়ী (إدغام شفوي)

অক্ষর: م (মীম)

যদি মীম সাকিন (مْ)-এর পরে আরেকটা মীম (م) আসে, তাহলে দুইটা মীম একসাথে মিলিয়ে গুন্নাহসহ (২ হারাকাত) পড়তে হবে।

لَهُمْ مَا
লাহুম্মা
كَمْ مِنْ
কাম্মিন

৩. ইযহার শাফাওয়ী (إظهار شفوي)

অক্ষর: ب এবং م ছাড়া বাকি ২৬টা অক্ষর।

মীম সাকিনের পরে যদি ব বা মীম ছাড়া অন্য যেকোনো অক্ষর আসে, তাহলে মীম স্পষ্টভাবে পড়তে হবে।

أَمْ كُنْتُمْ
আম কুনতুম
هُمْ فِيهَا
হুম ফীহা
عَلَيْهِمْ صَلَوَاتٌ
আলাইহিম সালাওয়াতুন

সহজে মনে রাখার নিয়ম

ب → ইখফা শাফাওয়ী
م → ইদগাম শাফাওয়ী
অন্য ২৬টা → ইযহার শাফাওয়ী

অনুশীলন

নিচের শব্দগুলো ধীরে ধীরে পড়ুন:

هُمْ بِهِ
হুম (গুন্নাহ) বিহি
تَرْمِيهِمْ بِحِجَارَةٍ
তারমীহিম (গুন্নাহ) বিহিজারাতিন
لَهُمْ مَا
লাহুম্মা
كَمْ مِنْ
কাম্মিন
هُمْ فِيهَا
হুম ফীহা
أَمْ كُنْتُمْ
আম কুনতুম
মনে রাখবেন: مْ + ب = ইখফা শাফাওয়ী (গুন্নাহ ২ হারাকাত), مْ + م = ইদগাম শাফাওয়ী (গুন্নাহ ২ হারাকাত), মীম + অন্য সব অক্ষর = ইযহার শাফাওয়ী (স্পষ্ট উচ্চারণ)

বাড়ির কাজ

প্রতিটা উদাহরণ ১০ বার করে পড়ুন এবং নিজে চিনতে চেষ্টা করুন কোনটা ইখফা, কোনটা ইদগাম এবং কোনটা ইযহার।

পার্ট–১৪: মাদ্দ (مد)-এর প্রকারভেদ

আজ আমরা মাদ্দ (টেনে পড়া) সম্পর্কে বিস্তারিত জানব। তাজবীদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এটি।

মাদ্দ কী?

মাদ্দ অর্থ হলো টেনে পড়া। মাদ্দের অক্ষর ৩টা: ا (আলিফ), و (ওয়াও), ي (ইয়া)

১. মাদ্দে আসলী (المد الأصلي)

একে মাদ্দে তাবীঈও বলা হয়। সাধারণভাবে ২ হারাকাত টেনে পড়তে হয়।

قَالَ
ক্বা-লা
نُورٌ
নূ-রুন
فِي
ফী

২. মাদ্দে মুত্তাসিল (المد المتصل)

একই শব্দে মাদ্দের অক্ষরের পরে হামযা (ء) এলে। টান: ৪–৫ হারাকাত।

جَاءَ
জা-আ
السَّمَاءِ
আস্-সামা-ই

৩. মাদ্দে মুনফাসিল (المد المنفصل)

এক শব্দে মাদ্দের অক্ষর এবং পরের শব্দে হামযা এলে। টান: ৪–৫ হারাকাত।

فِي أَنْفُسِكُمْ
ফী-ই আনফুসিকুম
بِمَا أُنْزِلَ
বিমা-আ উনযিলা

৪. মাদ্দে লাযিম (المد اللازم)

মাদ্দের পরে সুকূন লাযিম এলে। টান: ৬ হারাকাত।

الضَّالِّينَ
আদ্-দ্বা-ল্লীন
آلآنَ
আ-ল্-আন

৫. মাদ্দে আরিয লিস্‌সুকূন (المد العارض للسكون)

ওয়াকফ (থামার) কারণে শেষে সুকূন সৃষ্টি হলে। টান: ২ / ৪ / ৬ হারাকাত।

الْعَالَمِينَ
আল-আলামীন (থামলে)
الرَّحِيمِ
আর-রাহীম (থামলে)

৬. মাদ্দে লীন (مد اللين)

যবরের পরে وْ অথবা يْ থাকলে এবং শেষে থামলে। টান: ২ / ৪ / ৬ হারাকাত।

خَوْفٍ
খাওফ
بَيْتٍ
বাইত

সহজে মনে রাখুন

মাদ্দের ধরন — টান
মাদ্দে আসলী — ২ হারাকাত
মাদ্দে মুত্তাসিল — ৪–৫ হারাকাত
মাদ্দে মুনফাসিল — ৪–৫ হারাকাত
মাদ্দে লাযিম — ৬ হারাকাত
মাদ্দে আরিয — ২ / ৪ / ৬ হারাকাত
মাদ্দে লীন — ২ / ৪ / ৬ হারাকাত

অনুশীলন

ধীরে ধীরে পড়ুন:

قَالَ
ক্বা-লা
نُورٌ
নূ-রুন
فِي
ফী
جَاءَ
জা-আ
السَّمَاءِ
আস্-সামা-ই
الضَّالِّينَ
আদ্-দ্বা-ল্লীন
خَوْفٍ
খাওফ
بَيْتٍ
বাইত
মনে রাখবেন: ২ হারাকাত = স্বাভাবিক টান। ৪–৫ হারাকাত = মাঝারি টান। ৬ হারাকাত = দীর্ঘ টান।

বাড়ির কাজ

১০ বার করে পড়ুন:

قَالَ
ক্বা-লা
فِي
ফী
جَاءَ
জা-আ
السَّمَاءِ
আস্-সামা-ই
الضَّالِّينَ
আদ্-দ্বা-ল্লীন
خَوْفٍ
খাওফ

পার্ট–১৫: ওয়াকফ (وقف) ও ইবতিদা (ابتداء)

আজ আমরা শিখব কোথায় থামতে হবে (ওয়াকফ) এবং কোথা থেকে আবার শুরু করতে হবে (ইবতিদা)। শুদ্ধ কুরআন তিলাওয়াতের জন্য এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

১. ওয়াকফ (وقف) কী?

ওয়াকফ অর্থ হলো তিলাওয়াতের সময় নির্দিষ্ট স্থানে থামা। থামার সময় শেষ অক্ষরটা সাধারণত সুকূন (জযম) করে পড়া হয়।

২. ইবতিদা (ابتداء) কী?

ইবতিদা অর্থ হলো থামার পরে আবার সঠিক স্থান থেক পড়া শুরু করা। চেষ্টা করবেন এমন জায়গা থেক শুরু করতে, যাতে অর্থ ঠিক থাকে।

৩. কুরআনের গুরুত্বপূর্ণ ওয়াকফ চিহ্ন

৪. ওয়াকফ করলে কী পরিবর্তন হয়?

উদাহরণ:

الرَّحِيمِ
চলমান অবসথায়: আর-রাহীমি / থামলে: আর-রাহীম
الْعَالَمِينَ
চলমান অবসথায়: আল-আলামীন / থামলে: আল-আলামীন্

৫. সূরা আল-ফাতিহা দিয়ে অনুশীলন

بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ ۝
এখানে থামতে পারবেন।
الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ ۝
আয়াত শেষে থামা সুন্নত।
الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ ۝
এখানে থামুন।
مَالِكِ يَوْمِ الدِّينِ ۝
এখানেও থামুন।

সহজে মনে রাখুন

م — অবশ্যই থামা উত্তম
لا — থামবেন না
ج — থামা বা না থামা—দুটিই বৈধ
قلى — থামা উত্তম
صلى — না থামা উত্তম
۝ — আয়াত শেষ

অনুশীলন

নিচের চিহ্নগুলো মুখস্থ করুন:

م
অবশ্যই থামা উত্তম
لا
থামবেন না
ج
থামা বা না থামা
قلى
থামা উত্তম
صلى
না থামা উত্তম
۝
আয়াত শেষ

বাড়ির কাজ

১. সূরা আল-ফাতিহা দেখে সব ۝ চিহ্নে থামুন।

২. ওয়াকফ করলে শেষ অক্ষর কীভাবে পরিবর্তিত হয় তা ১০ বার অনুশীলন করুন।

৩. م, لا, ج, قلى, صلى—এই পাঁচটা চিহ্নের অর্থ মুখস্থ করুন।

আজকের সারাংশ: ওয়াকফ = থামা। ইবতিদা = আবার শুরু করা। সব জায়গায় থামা যায় না। ওয়াকফের চিহ্ন দেখে তিলাওয়াত করলে অর্থ ও সৌন্দর্য দুটোই বজায় থাকে।